গাজীপুর নগরীর বনগ্রাম এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এক নারীকে খুন করছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। নিহতের নাম জৈরা বর্মণ (৪৫) তিনি ঐ এলকার দিগেন্দ্রর স্ত্রী।

রোববার সন্ধ্যায় সিটি করপোরেশনের বনগ্রাম এলাকার কুঁচপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন জানান, রোববার সন্ধ্যায় দুইজন নারীসহ ১০/১২ জন লোক সাদা পোশাকে নিজেদের গাজীপুর মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য পরিচয়ে বনগ্রাম কুঁচপাড়া এলাকায় আসেন।  এ সময় মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় রিপনের স্ত্রী সাধনাকে (২৫) আটক করেন এবং মারধর করে টাকা দাবি করেন তারা।  টাকা না দিলে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়।

পরে, সাধনা ও প্রতিবেশী জৈরাকে আটক করে মাদক উদ্ধারের কথা বলে পার্শ্ববর্তী বাগানে নিয়ে টাকা দাবি করে চক্রটি। এ সময় জৈরা তার জামাই দিগেন্দ্রকে টাকা নিয়ে আসার জন্য খবর দেন। টাকা আনতে দেরি হওয়ায় সেখানে জৈরাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে সাধনার লোকজন ঘটনাস্থলে তাদের হাতে ১০ হাজার টাকা এনে দেন।

এ সময় আহত জৈরাকে বাগানে ফেলে রেখে চলে যান তারা। পথে দিগেন্দ্রের কাছ থেকে আরো ১০ হাজার টাকা নিয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এর কিছু সময় পর জৈরা মারা যান।

এ ব্যাপারে গাজীপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক নাসির উল্লাহ ভূইয়া বলেন, রোববার আমাদের কোনো টিমই মাদক উদ্ধার অভিযানে বের হয়নি।

এআই