বিতর্কিত বেনাপোল পোর্ট থানার স্বর্ন আত্তসাৎ কারি এ এসআই রফিককে গত ৪৯ দিনে খোদ পুলিশ প্রশাশন কোন এক অজানা রহস্যের কারনে খুজে না পাওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রফিক গত ১৩ ডিসেম্বর বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম।
এবং আলোচিত স্বর্ন পাচারের সীমান্ত পথ রঘুনাথপুর থেকে রেজাউল নামে এক স্বর্ন বহনকারিকে আটক করে তাকে থানা হাজতে রেখে ১৩ পিস স্বর্নের বার এবং সরকারি অস্ত্র নিয়ে নাটকিয় ভাবে পলাতক হলেও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই।
স্বর্ন সহ সরকারি অস্ত্র নিয়ে পালানো এএসআই রফিক পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে দেশের কোন থানায় যোগদান করে বহাল তবিয়তে চাকরি করছে কি না, তার নামে গুঞ্জন উঠায় ১৭ কেজি স্বর্ন আত্তসাতের সাথে পুলিশের কোন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা জড়িত আছে কিনা তার জন্য তাকে পার্শ বর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে যেতে সাহয্য করেছে কি না এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা তর্কবিতর্কের ও শেষ নেই বেনাপোলে।
১৪ ডিসেম্বর সকাল বেলায় পোর্ট থানা এলাকায় গুঞ্জন উঠে এসআই রফিক বেনাপোলের রঘুনাথপুর এলাকা থেকে ১৭ কেজি স্বর্ন জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। এ গুঞ্জনে স্থানীয় সাংবাদিকরা পোর্ট থানায় ভিড় জমায় এবং থানার কয়েকজন এসআই বলেন আটক রেজাউল এর সীকারোক্তি অনুযায়ি ১৩ পিছ স্বর্নের বার নিয়ে এ এসআই রফিক পালিয়েছে।
অপরদিকে এলাকার অন্য একটি সুত্রে জানা যায়, আটক রেজাউলের সাথে আরো একজন ছিল তার কাছে থাকা স্বর্ন রফিক নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়ে আসামি রেজাউলকে থানায় রেখে সে পালিয়েছে।
১৪ তারিখে বেনাপোল পোর্ট থানায় সরোজমিনে এব্যাপারে জানতে চাইলে উপস্থিত কয়েকজন এসআই জানায় একজন স্বর্ন চোরাচালানি থানায় আটক আছে । তার নিকট থেকে এ থানার এএসআই রফিক ১৩ পিছ স্বর্নের বার নিয়ে পালিয়েছে।
এত নিশ্চিত হয়ে কি ভাবে বলছেন সে ১৩ পিছ স্বর্নের বার নিয়ে গেছে তখন পুলিশের এক কর্মকর্তারা বলেন আটক রেজাউলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ি বলছি। পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন তার বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের ২৫/বি ধারায় মামলা হয়েছে। মামলা নং -৩২ তারিখ: ১৩/১২/১৫।এবং এ ছাড়া আরো একটি মামলা হয়েছে দুদক আইনে। যেটা দুদক তদন্ত করবেন।
এ ব্যাপারে মামলার বাদি বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) শাশিম আহমেদের নিকট মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে আজ ৩০/০১/১৬ তারিখে জানতে চাইলে তিনি বলেন মামলার অগ্রগতি দুদক বলতে পারবে।
আমরা আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত করছি। রফিকের সরকারি পিস্তল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অস্ত্রটি মনে হয় লকারে আছে। আপনি নিশ্চিত কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা খুলে দেখিনি। তবে একজন ম্যাজিষ্ট্রেট এর উপস্থিতীতে তা খুলে দেখা হবে।
এমই





