শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে বসেছে পদ্মা সেতুর ২৩তম স্প্যান। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ৬-এ আইডি নম্বরের স্প্যানটি সেতুর জাজিরা প্রান্তের ৩১ ও ৩২ নম্বর পিয়ারের ওপর বসানো হয়। ২৩তম স্প্যান বসানোর পর সেতুর তিন হাজার ৪৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। পদ্মা সেতুর একাধিক প্রকৌশলী এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

ঘড়ির কাঁটায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় কাজ শুরু। মাওয়ার ইয়ার্ড থেকে পাড়ি দিতে হবে ৪ কিলোমিটার দূরের জাজিরা প্রান্ত। চারপাশের সব নৌযান থামিয়ে বিশাল কাঠামোর স্প্যান নিয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলে বিশেষায়িত ক্রেন তিয়ান ইউ।

মাঝনদী পার হয়ে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট পর পৌঁছে যায় সেতুর ৩১ ও ৩২ নম্বর পিলারের কাছে। স্প্যান বয়ে নিতে নদীর পানির গভীরতা কিংবা দূরত্ব সমস্যা তৈরি না করায় এখন দিনে দিনেই বসানোর পরিকল্পনা প্রকৌশলীদের।

শুরু হয় স্প্যান বসানোর কাজ। আগে থেকেই পাড়ে প্রস্তুতি ছিল। করোনা ভাইরাস আতঙ্ক ছড়ায়নি এখানকার চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে। মিলেমিশেই কাজ এগিয়ে নিতে থাকেন তারা। দুই পাড়ে মোটা কেবলে বেঁধে ফেলা হয় স্প্যানবাহী ক্রেনটি।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে শুরু হয় স্প্যান বসানোর কাজ। প্রতি মাসে গড়ে ৩টি করে স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা হলেও জানুয়ারি মাসে বসানো গেছে দু’টি।

এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে হলে গড়ে ৩টি করে বসানো লাগবে মাসে। তবে কোনো মাসে ৪টি আবার কোনো মাসে দু’টিও বসবে। এটা অবস্থা ভেদে সিদ্ধান্ত। সেতুর জাজিরা প্রান্তে এখন ১১টি, মাঝনদীতে ১০টি আর মাওয়া প্রান্তে দৃশ্যমান আছে দু’টি স্প্যান।

এএস