ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় এশিয়ান আফ্রিকান সম্মেলনে অংশ নিয়ে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সুকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট জাকার্তা ত্যাগ করে।

ইন্দোনেশিয়ার ধর্মমন্ত্রী লোকমান হাকিম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিদায় জানান।

বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গলবার বিকেলে জাকার্তায় পৌছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ৩৪টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ ১০৫টি দেশের প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে অংশ নেন।

বুধবার সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে সন্ত্রাস দমন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্ব নেতাদের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষুধা ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রপন্থা দমন এবং টেকসই উন্নয়ন- এ তিনটি বিষয় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পরবর্তী উন্নয়ন এজেন্ডার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে তিনি মত দেন।

এসব লক্ষ্য পূরণে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে আফ্রো-এশীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

বুধবার সম্মেলনের ফাঁকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন এবং কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আবদুল্লাহ জেড আল-মাহমুদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন শেখ হাসিনা।

এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লংয়ের সঙ্গেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় অংশ নেন। রাতে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন তিনি।

বৃহস্পতিবার শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে (কো-চেয়ার) শুরু হয় সম্মেলন; তার সঙ্গে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন মিশরের প্রধানমন্ত্রী ইব্রাহিম মেহলাব।

প্লেনারি সেশন শেষের পর ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোদো, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী রামি হামিদাল্লাহ এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

জেআই