নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মধুমতি নদীর তীরবর্তী নওখোলা গ্রামের ইমদাদ হোসেন খানের ছেলে আলী আকবর খানের লাশ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে শনিবার (৬জুন) রাতে দাফন করা হয়েছে।
স্বামীর মৃত্যুতে স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন । শোকাহত আঞ্জুয়ারা কথা বলতে পারছেন না ।বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন।
একজন মহিলাকে (নাম জানা যায়নি) তার স্বামী হত্যার সাথে জড়িত দাবী করে তার নামে মামলা করবেন বলে কান্নার সাথে জানান।
আকবর আলী খানের ৩ সন্তান। বড় মেয়ে সালমা স্বামীর সাথে খুলনার খালিশপুরের নয়াবাটি থাকেন । ছোট মেয়ে নাজমা স্বামীর সাথে ঢাকায় বসবাস করেন।
স্বামী আলী আকবর খুলনার আশে পাশের বিভিন্ন থানায় চাকুরীর কারনে খুলনা শহরে ২০ বছরের বেশী সময় তাদের বসবাস।
বর্তমানে একমাত্র ছেলে সালাহউদ্দিন কে নিয়ে মা (আকবরের স্ত্রী) খুলনায় বসবাস করছিলেন। স্বামী আকবর আলী খানের ২য় স্ত্রী সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এস আই আকবর মনিরামপুর থানায় যোগদান করেন। মনিরামপুর থানা থেকে তার আত্মহত্যা এবং আকবর আলী খানের ২য় বিয়ের কারনে সংসারের অশান্তির কথা বলা হলেও নওখোলা এলাকার লোকেরা আকবর আলীর ২য় বিয়ে সম্পর্কে কিছুই জানেন না।
এসএইচ





