চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা আসছে। এ ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠকে বসেছেন সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তারা।

ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র প্রভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বিমানবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা ছাড়া উপায় নেই বলে জানিয়েছেন সিভিল এভিয়েশন বিভাগের ম্যানেজার উইং কমাণ্ডার রিয়াজ উদ্দিন।

তিনি বলেন, আমরা বৈঠকে বসেছি। বিমানবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিছুক্ষণের মধ্যে সময় নির্ধারণ করা হবে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সকাল থেকে কার্যত কোন বিমান চট্টগ্রাম থেকে উড্ডয়ন এবং চট্টগ্রামে অবতরণ করতে পারেনি বলে তিনি ‍জানিয়েছেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। হালকা বাতাসও চলছে।

নগরীর পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো.আব্দুল হান্নান জানান, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু শনিবার সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে সাত নম্বর বিপদসংকেত এবং কক্সবাজারে জারি করা ছয় নম্বর বিপদসংকেত বহাল আছে। বাতাসের গতিবেগ একটানা ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরীতে ৫২ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।

রোয়ানু দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে বরিশাল উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো.আব্দুল হান্নান।

এমবি