উত্তর বঙ্গের দরিদ্রপূর্ননজেলা কুড়িগ্রাম আর এই কুড়িগ্রামের মানুষ নিজ নিজ কর্মে বলিয়ান ।

কাজ ছোট হউক আর বড় হউক অন্যর কাছে হাত পাততে হয় না কোন সাহায্য জন্য।এমনি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি উপজেলার বন্দবেরের বাসীন্দার রতন আলী (৩২) তিনি ২০ বছর ধরে নৌকা চালিয়ে জীবিকা

র্নিবাহ করছেন। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমাদের আদি পেশা ,আর আমরা গরিব তাই পড় লেখার কোন সুযোগ হয় নাই , নৌকা চলে দিন চালাই।ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব কুটি চন্দ্রখানার বাসীন্দার সামছুল হক(৬৫) ও একই উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বালাটারি গ্রামের

বাসীন্দার মানিক মিয়া(৫৮) তারা বাটনা কেটে জীবিকা চালান।অভাবের কাছে কখনো তারা হার মানেনি। অভাবকে জয় করে প্রতিনিয়ত চলছে রোজগারের পথে। সামছুল হক ২৯ বছর ও মানিক মিয়া ২৫ বছর বয়সে শুরু করেন গৃহিনীদের শিলপাটা কুটানোর কাজ।সামছুল হক জানান, দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত তিনি এই বাটনা কাটার কাজ করেন সংসার চালাই।

আমার ৫ শতাংশ জমি ছাড়া বসত ভিটায় কিছ’ নেই। আমার স্ত্রী , ৪ মেয়ে ও ১ ছেলেসহ ৭জন নিয়ে সংসারে ভালো করেই দিন কাটাচ্ছি । আমার এই সামান্য আয় থেকে ৩ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। এখন ১ মেয়ে ও ১ছেলেকে পড়ালেখো করাচ্ছি। মানিক মিয়া বলেন,আমরা যে বাটনা কাটার কাজ করি প্রতি বাটনা থেকে আমাদের দেন ১৫ থেকে ২০ টাকা করে, দিনে আসে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে ।

তাও আবার অনেক দুর ঘুবে ঘুরে এই বাটনার কাজের সন্ধান করতে হয়। এখনকার দিনে আবার মহিলারা বাটনার কাজ করতে চান না । তারা মেশিনের মাধ্যমে মসলা বেটে নেন, কেউ আবার প্যাকেটের মসলা ব্যবহার করেন। বসে থাকার চেয়ে আমার এই কাজ আমার কছে অনেক দামি। কষ্ট করে কাজের সন্ধান করলেও অন্যের কাছে হাত পেতে কোন সাহায্য চাইতে হয় না।

এমআর