যশোরে ২০ দলীয় জোটের মানববন্ধনে পুলিশের গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জন গুলিবিদ্ধ রয়েছেন।

এর আগে মানববন্ধন থেকে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ ৫ জনকে আটক করে পুলিশ।

মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার বিকাল ৪টার দিকে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে ২০ দলের কর্মসূচিতে এ ঘটনা ঘটে।

যশোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই মুজিব সড়কে প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। বিকাল ৪টার দিকে কর্মসূচির একপর্যায়ে পুলিশ মানববন্ধন থেকে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করে। এরপর ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীরা পুলিশের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে। শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৫ জন আহত হন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়।

আহতরা হলেন, পুলিশ কনস্টেবল মতিয়ার রহমান ও বিএনপি কর্মী রেখা এবং গুলিবিদ্ধ বিএনপি কর্মী উপশহর এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে কামাল, ওয়ার্ড মহিলা দল নেত্রী নীলগঞ্জ তাতীপাড়া এলাকার ইন্তাজ আলীর স্ত্রী সোনালী ও পথচারী পুলেরহাট এলাকার ইমদাদুল হাফিজ। বিএনপি কর্মী রেখা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকিদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ তাদের কর্মীদের ওপর গুলি চালিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

গুলি করার বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক জানান, মানববন্ধন থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা হলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে।

তিনি দাবি করেন, মানববন্ধন থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ৩ কনস্টেবল আহত হয়। মানববন্ধন থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ৫ জনকে আটকের কথা স্বীকার করেন তিনি।

জেআই