রাজধানীর বনানীতে গ্যাস লাইনের ছিদ্র থেকে হওয়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও বসবাসের জন্য ‘সাময়িকভাবে অযোগ্য’ ঘোষণা করেছে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল।

বনানীর ২৩ নম্বর সড়কের ৯ নম্বর বাড়িতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে, যাতে ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ভেঙে যায় প্রতিটি ফ্ল্যাটের দরজা-জানালাসহ সামনের ফ্ল্যাটগুলোর দেয়াল।

গ্যাস লাইন ছিদ্র থেকে গ্যাস বের হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ।

শুক্রবার বিকালে অধ্যাপক ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল ভবনটি পরিদর্শন করে। এ সময় রাজউকের চেয়ারম্যান জিএম জয়নুল আবেদীনও সঙ্গে ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক ইশতিয়াক সাংবাদিকদের বলেন, “এখন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। সার্ভে করে দেখতে হবে ভবনটি ভাঙতে হবে কি না; নাকি সংস্কার করা যাবে। তবে আপাতত ভবনটি বসবাসের অযোগ্য।”

রাজউক চেয়ারম্যান জিএম জয়নুল আবেদীন বলেন, “দেখতে হবে, ভবনটি সংস্কার করলেই হবে কিনা।”

স্থানীয়রা বলছেন, গত বুধবার রাস্তা খোঁড়ার সময় পাশের ১৪ নম্বর ভবনের সামনের গ্যাস পাইপে ছিদ্র হয়, সেখান থেকেই গ্যাস ৯ নম্বর ভবনের স্যুয়ারেজ লাইনে ঢুকে ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। গভীররাতে ওই গ্যাসের কারণেই ঘটে বিস্ফোরণ। বুধবারই ছিদ্র থেকে গ্যাসের গন্ধ পাওয়ার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তিতাস।

শুক্রবার সকালে তিতাস ওই ছিদ্র বন্ধের পর দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। বিকালেও আগুন লাগা ভবনের কাছে যান তিনি।

ওই সময় সাংবাদিকদের মেয়র আনিসুল বলেন, “শনিবার সকাল ১০টার দিকে ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের আসতে বলা হয়েছে। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে বাসিন্দারা তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যাবেন।”

ওএফ