নড়াইলের কালনাঘাটে মধুমতি নদীতে পানি বৃদ্ধিতে দুটি গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় যাত্রী, যানবাহন ও পণ্য পারাপারে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র জানায় কালনাঘাট দিয়ে বিভিন্ন জেলার প্রতিদিন অন্তত ৪ হাজার যানবাহন এবং লক্ষাধিক মানুষ পারাপার হয়ে থাকে।
মংলা স্থলবন্দর থেকে ছেড়ে আসা পণ্যবাহী কয়েকশত ট্রাক চলাচল করে। গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন মনজুর নামে এক ইজারাদার কালনাঘাট নিয়ন্ত্রণ করেন। নিয়ম অনুযায়ি ঘাটে মানুষ বা যানবাহন পারাপারে সমস্যা হলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট ইজারাদার,ঠিকাদার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে কালনাঘাটের দুটি ফেরিঘাটের লোহাগড়া অংশের উত্তর পাশের ঘাটে পল্টুনের গ্যাংওয়ে সম্পূর্ণ নদীতে তলিয়ে গেছে, ওই ঘাট দিয়ে পারপার বন্ধ।
আর দক্ষিণ পাশের ঘাটে পল্টুনের গ্যাংওয়ের অর্ধেক তলিয়ে গেছে। নদীতে ভাটির সময় কিছুটা দূর্ভোগ কমলেও জোয়ারের সময় অনেক গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে গ্যাংওয়ের উপর গাড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে পারাপারে দীর্ঘ সময় লাগছে। ঢাকা-নড়াইল রুটের খানজাহান আলী পরিবহনের ড্রাইভার রনি শেখ, এম্বুলেন্স ড্রাইভার কবির, ব্যবসায়ী বদরুল আলম অভিযোগ করেন প্রায় ৯ দিন পার হলেও সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। ঘাটপারাপারে একজন যাত্রীর গুনতে হচ্ছে ১২ টাকা।
জিম্মি হয়ে পড়েছে চলাচলকারীরা। এদিকে, হাবিল মোল্যা ও তারেক শেখের দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। ইজারাদার মনজুর ফোনে জানান, গত ৩/৪দিন ক্রেন দিয়ে গ্যাংওয়ে কয়েকবার ওঠালেও নদীতে পানি আরো বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় সমস্যা রয়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরন রায় এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
এসএ





