চালের বাজারে তৈরি সৃষ্ট সংকট বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্বারা তৈরি। আর এই অসাধু ব্যবসায়ীদের ধরতে সারাদেশে অভিযান চালাচ্ছে সরকার।

অভিযানের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৮০ হাজার বস্তা মজুদকৃত চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আটককৃত চালের পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার টনের সমপরিমাণ। অভিযান চালানো প্রতিষ্ঠানটির নাম মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স ।

নগরীর সাগরিকা এলাকার আহমেদ ট্রেডিং নামের একটি গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়। এক মাসের বেশি সময় ধরে চাল মজুদ রাখার অপরাধে গুদামের ব্যবস্থাপক মো. তাহেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলী জানান, সাগরিকা এলাকায় বেশ কয়েকটি চালের গুদামে অভিযান চালানো হয়েছে।

অভিযানে দেখা যায়, মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের একটি চালের গুদামে ১ মাস ৯ দিন ধরে মজুত করে রাখা হয়েছে ৮০ হাজার বস্তায় প্রায় ৪ হাজার টন চাল।

সাধারণত ১ মাসের বেশি সময় ধরে মজুত রাখার নিয়ম না থাকায় চালগুলো জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ বাজারে গতকাল নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে অধিক চাল মজুত করার অপরাধে দুই চাল ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অর্থদণ্ডকৃত চাল ব্যবসায়ীরা হলেন- কালীগঞ্জ বাজারের মেসার্স গৌরাঙ্গ ভাণ্ডারের মালিক বাদল চন্দ্র দাস ও মেসার্স জামান স্টোরের মালিক মো. জামান মিয়া।

জানা গেছে, নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে অধিক চাল মজুত করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনের ২০০৯ এর ৪৫ ধারা মোতাবেক মেসার্স গৌরাঙ্গ ভাণ্ডারকে ৩০ হাজার টাকা এবং মেসার্স জামান স্টোরকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীদের কাছে সর্বোচ্চ ১৫ টন চাল মজুত থাকার কথা। কিন্তু মেসার্স গৌরাঙ্গ ভাণ্ডারে ৬৫.৭ টন এবং মেসার্স জামান স্টোরে ২৯.২৫ টন চাল মজুত পাওয়া যায়। পরে দিনের মধ্যে মজুতকৃত চাল অন্য ব্যবসায়ীদেরকে দিয়ে দেওয়ার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়।

জেড