ফাঁসিতে ঝুলিয়ে জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম আরিফের (৪৫) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

রোববার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে খুলনা জেলা কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার কামরুল ইসলাম ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, উপ-কারা পরিদর্শক খুলনার (ডিআইজ প্রিজন) টিপু সুলতান, খুলনা জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূর-ই-আলম, খুলনার সিভিল সার্জন ডা. এএসএম আব্দুর রাজ্জাক, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার কামরুল ইসলাম, খুলনা জেলা কারাগারের জেলার জান্নাতুল ফরহাদ, পুলিশ ও র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।

২০০৬ সালের ২৯ মে এ হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দেন। ইতোমধ্যে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

যাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে তারা হলেন- জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই,শায়খ আব্দুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুক।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ শীর্ষ এ ছয় জেএমবির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। ২০০৭ সালের ৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি ছয় জঙ্গির প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিলে একই বছরের ২৯ মার্চ রাতে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

একই মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আরেক জেএমবি নেতা আরিফ ২০০৭ সালের ১০ জুলাই ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার হন।

এরপর আপিল করেন তিনি। ২৮ আগস্ট রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

এমবি