মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, কোনো কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দি থাকলে সেখানে বন্দিদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা অবাস্তব, অসম্ভব। রাষ্ট্রকে বন্দিদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণের দিকে নজর দিতে হবে। বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, কেউ অপরাধ করেছে, তার মানেই সে অস্পৃশ্য নয়। তার কোনো সুযোগ-সুবিধা থাকতে পারে না, এই ধারণা একবিংশ শতাব্দীতে চলতে পারে না।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সিলেট কারাগারে ১২ শ বন্দির ধারণক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এখানে দ্বিগুণ বন্দি থাকছে। এটা মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

মিজান বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে। এর ফলে অনেক নারী ও শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জ্বিত হয়ে পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, অনেক ক্ষেত্রই নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ফৌজদারী মামলায় প্রতিহিংসাবশত নির্বিচারে পরিবারের সবাইকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। এতে অনেক নিরপরাধ নারী ও শিশুর জীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে।

এ সব মামলায় একজনের অপরাধে যেন নিষ্পাপ কোনো শিশুর জীবন বিপন্ন না হয় সেজন্য বিশেষ নীতিমালা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান ড. মিজান।

এমকে