হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের (উড়াল সড়ক) নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রাজধানীর কাওলায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটির রুট নির্ধারিত হয়েছে রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-সাতরাস্তা-মগবাজার রেল করিডোর-খিলগাঁও-কমলাপুর-গোলাপবাগ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত। দুটি লিংকসহ ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ের একটি লিংক থাকবে হোটেল সোনারগাঁওয়ের পেছনে।

অপরটি থাকবে তেজগাঁও সাতরাস্তা হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে এক্সপ্রেসওয়েটি সম্প্রসারণ করে উত্তর দিকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা ও দক্ষিণে নারায়ণগঞ্জকে যুক্ত করবে, যা একদিকে কাঁচপুর সেতু এবং অন্যদিকে নির্মিতব্য পদ্মা সেতু, ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ ও মধ্যাংশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোকেও যুক্ত করবে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ইতালিয়ান-থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সঙ্গে প্রথম চুক্তি হয়েছিল ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি। একই বছরের ৩০ এপ্রিল প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কাজে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে নকশা পরিবর্তনের কারণে পুনরায় চুক্তি হয় ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে।

প্রথম পর্যায়ে এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৮৭০০ কোটি টাকা। বর্তমানে এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

এমআর