কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে আসা ঘরমুখো মানুষ। স্টেশনে আসার পরও ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের।
কমলাপুর রেলস্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন সঠিক সময়ে না ছাড়ায় ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ। আর দেরিতে ট্রেন ছাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
মঙ্গলবার কমলাপুর রেলস্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের এক থেকে সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যায়।
এ বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী জাগো বলেন, সকালে কয়েকটি ট্রেনের বিলম্বে ছেড়েছে। যেসব ট্রেন স্টেশনে আসতে দেরি হয়েছে সেইগুলোই বিলম্ব হয়েছে। ঈদের সময় বাড়তি চাপ কিছুটা সমস্যা হয়। তবে দুই একটি ছাড়া বাকি সবগুলো ট্রেন সময় মত চলছে। কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আর রেলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী রাজশাহী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১১টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও সম্ভাব্য সময় ২টা ২০ মিনিট দেওয়া আছে। ৩ ঘণ্টা বিলম্বের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী রাজশাহী এক্সপ্রেস লোকাল ট্রেন সব সময় দেরি হয়। এদিকে ট্রেনের বিলম্বে ছাড়ার কারণে স্টেশনের যাত্রীদের বসে থাকতে দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে বেশিভাগ ট্রেনই বিলম্বে ছাড়েছে। এর মধ্যে চারটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের এক থেকে চার ঘণ্টা বেশি দেরি করেছে।
রাজশাহীগামী ধুমকেতু ট্রেন ছাড়ার কথা সকাল ৬টা সময় কিন্তু চার ঘণ্টা পর ১০টা ৩০ মিনিটের সময় ছেড়েছে। খুলনাগামী সুন্দরবন ছেড়েছে দেড় ১ ঘণ্টা দেরিতে। রংপুর এক্সপ্রেসও দেড় ঘণ্টা ও একতা এক ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে।
রাজশাহীর যাত্রী আলমগীর বলেন, দীর্ঘ লাইন ভোগান্তি আর অপেক্ষার পর টিকিট পেয়েছি। তাহলে ট্রেন ছাড়তে দেরি কেন?
চাঁপাইনবাবগঞ্জের যাত্রী আব্দুল্লাহ জানান, রাজশাহী এক্সপ্রেসের টিকিট কেটেছি গ্রামে যাবো। সকাল ১০টায় স্টেশনে এসেছি। ট্রেন বেলা ১১টায় ছাড়ার কথা কিন্তু এখনো আসেনি আর কখন ছাড়বে তার কোনো ঠিক নেই।
এমই





