ঢাকা মহানগরী ও আশেপাশের এলাকার যাতায়াত ও যানজট সমস্যা নিরসনে আরও দুটি মেট্রোরেল রুট (মেট্রোরেল-১ ও মেট্রোরেল-৫) নির্মাণে এবং ঢাকা ইস্টার্ন বাইপাস নির্মাণে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে জাপান সরকার।
বুধবার জাপানের ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আকিহিরো ওহঠার (Akihiro Ohta) সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ সাড়া পাওয়া যায়।
সেতু বিভাগ থেকে জানানো হয়, যমুনা নদীর তলদেশ দিয়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল নির্মাণে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে জাপানের পরিবহনমন্ত্রী বিষয়টি জাইকা’র সঙ্গে পরামর্শ করে ত্বরান্বিত করা হবে বলে জানান।
ঢাকা মহানগরী ও আশপাশের এলাকার জন্য কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা হালনাগাদকরণ কাজ এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে এ সময় জানান ওবায়দল কাদের।
জানা যায়, জাপান সরকারের অর্থায়নে কালনা সেতু নির্মাণে ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় নকশা প্রণয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে জাপানের ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও জাইকা’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টোকিওতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)’র সদর দপ্তরে জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক সভায় বাংলাদেশকে বিনিয়োগের আদর্শ স্থান আখ্যায়িত করে মন্ত্রী জাপানি বিনিয়োগকারীদের অবকাঠামোখাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। বিনিয়োগের সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মান ও নির্মাণ কৌশল অত্যন্ত উচ্চমানের। সড়ক যোগাযোগে জাপানের বিনিয়োগ এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে সচল করেছে।
জাইকা’র ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত বিনিয়োকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকে জাপানের সড়ক, সেতু, মেট্রোরেলসহ নির্মাণখাতের শীর্ষস্থানীয় ২০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোমিক মিনিস্টার ড. জীবন রঞ্জন মজুমদারসহ সফরকারী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ





