দেশের সীমান্তে প্রতি মাসে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা মূল্যমানের চোরাচালান পণ্য ধরা পড়ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য। চোরাচালান বেশিরভাগ হয় ভারত থেকে। যার আর্থিক মূল্য প্রতি মাসে গড়ে ৬৯ কোটি টাকা। তবে সীমান্তরক্ষীদের চোখ এড়িয়ে পাচার হওয়া পণ্য জব্দকৃত পণ্যের কয়েকগুণ।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিয়ানমারের নাগরিক প্রতি মাসে বাংলাদেশ থেকে অবৈধপথে ভারতে পাড়ি জমাচ্ছে।
সোমবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) দেশের সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচারের সময় ৭৪৬ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার পণ্য ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি।
এসব পণ্যের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ পিস ইয়াবা, ৩ লাখ ৭৯ হাজার বোতর ফেনসিডিল, ৫ হাজার ৬৮৩ কেজি গাঁজা, প্রায় ১ কেজি হেরোইন, ১ লাখ ১১ হাজারটি নেশাজাতীয় ইনজেকশন, প্রায় ২৫ হাজার পিস যৌন উত্তেজন ট্যাবলেট রয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ৭৭টি পিস্তল, ১০টি রিভলবার, ৫৩টি বন্দুক, ২৫টি বোমা, ৩৬৭ রাউন্ড গুলি ও বিপুল পরিমাণ গানপাউডার।
এসব ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১ হাজার ৪৬১ জনকে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় আটক করা হয় ৯ হাজার ২৮৭ জনকে। যার মধ্যে ৪ হাজার ১৫ জন মিয়ানমারের, ২ হাজার ৬০৭ জন বাংলাদেশি এবং ১৭১ জন ভারতীয় নাগরিক।
গত ১০ মাসে পাচারের সময় ১ হাজার ১৯ জন নারী-শিশু উদ্ধারর করেছে বিজিবি। এসময় আটক করা হয় ১৪ জনকে।
জেআই





