কুষ্টিয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় জিল্লুর রহমান (৩০) নামে এক যুবকের মুত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া বজ্রপাতে মারা গেছেন আতাউর ইসলাম আতা (৫৭) নামে এক পল্লী চিকিৎসক।

রোববার বিকালে পদ্মা-গড়াই নদীর মোহনা থেকে জিল্লুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। তিনি পাবনার রূপপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী জানান, শনিবার রাতে মিরপুর উপজেলার তালবাড়ীয়া খাজনার চরাঞ্চলে ঝড়ের কবলে পড়ে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকাটি কয়েকজন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। এ সময় কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও জিল্লুর রহমান ও অজ্ঞাত একজন নিখোঁজ হন।

রোববার বিকালে পদ্মা-গড়াই নদীর মোহনা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজাদ জাহান জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় অনেকেই সাঁতরে উঠে আসে।

রোরবার বিকালে জিল্লুর রহমান নামে এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, কুমারখালী উপজেলার সান্দিয়াড়া গ্রামের আতাউর ইসলাম আতা নামে এক পল্লী চিকিৎসক বজ্রপাতে মারা গেছেন।

এছাড়া ঝড়ে গাছপালা এবং বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ঝড় শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সারারাতই অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ছিল। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে।

ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিপুল পরিমাণ জমির ফসল নষ্টসহ অসংখ্য গাছপালা ভেঙে গেছে। শিলাবৃষ্টিতে তামাক ও আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও অনেক এলাকার কলার বাগান, পানের বরজ ঝড়ের কবলে ন্যুয়ে পড়েছে।

এআর