চট্টগ্রামে গ্রেফতার পাকিস্তানিসহ পাঁচজনকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ছগির মিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার পাকিস্তানিসহ পাঁচজনকে দুই দফায় হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার পাকিস্তানি নাগরিক মোহাম্মদ আলম ছাড়া অন্যদের জামিন দেয় চট্টগ্রামের একটি আদালত। চট্টগ্রামে জামিন হলেও ঢাকার মামলায় জামিন না হওয়ায় তাদের কেউ কারাগার থেকে ছাড়া পাননি।
এই পাঁচজনের মধ্যে পাকিস্তানি নাগরিক মোহাম্মদ আলম ‘গ্লোবাল রোহিঙ্গা সেন্টার’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পরিচালক। আর সফিউল্লাহ (৩৮) নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক। চলতি বছরের ২৩ মার্চ হওয়া উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছিলেন। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরএসও’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে সফিউল্লাহ ও ছালামত উল্লাহর বিরুদ্ধে।
জেল সুপার ছগির মিয়া জানান, গ্রেফতার পাকিস্তানিসহ পাঁচজনকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার লালবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ১৪ ডিসেম্বর আদালতে হাজিরা রয়েছে বিধায় তাদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার তাদের মধ্যে পাকিস্তানি নাগরিক মোহাম্মদ আলম ব্যতীত অন্য চারজনকে জামিনে ছাড়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ এলাকার ‘হোটেল লর্ডস ইন’ থেকে পাকিস্তানি নাগরিক মোহাম্মদ আলমসহ আব্দুল মজিদ, মো. আমিন, মো. সফিউল্লাহ ও মো. ছালামত উল্লাহ নামে ওই পাঁচজনকে আটক করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের প্রথমে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হলেও পরে তাদের ঢাকার লালবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
কেএইচ





