গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে নানা অনিয়ম দুর্নীতিসহ শিক্ষক বদলীনামে ঘুষ বাণিজ্যের নানা অভিযোগ উঠেছে।
সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা আব্দুল জোব্বারের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্হানীয়রা জানান,শিক্ষক বদলীর ব্যাপারে যোগ্য ও জ্যৈষ্ঠতার বিষয়ে কোন গুরুত্ব না দিয়ে অর্থের বিনিময়ে সুবিধাজনক স্থানে শিক্ষক বদলী করছেন। চলতি বছরে গত দুই মাসে শিশু শ্রেণির শিক্ষক পোষ্টিং এবং গ্রামাঞ্চল থেকে পৌর এলাকায় শিক্ষক বদলী করে আনার ক্ষেত্রে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এছাড়া শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেন না। যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক চাহিদা রয়েছে,ছাত্রছাত্রী সংখ্যা বেশী ,সেখানে শিক্ষক না দিয়ে উপরন্ত ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষককে যেখানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা নগন্য সে বিদ্যালয়ে বদলী করে থাকেন।
শহরের আসাদুজ্জামান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ৭০ জন। শিক্ষক পোষ্ট ৫ জন। এখানে আরেকজন শিশু শ্রেণির শিক্ষক দিয়ে শিক্ষক সংখ্যা দাঁড়াল ৬ জনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জানান,
কোমরনই পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী ৪০৩ জন পোস্ট ১০টি, ১টি পোস্ট শূণ্য শিক্ষক আছেন ৯ জন ১ জন মাতৃত্বকালীন ছুটি ১ জন মেডিকেল পিটিআই ট্রেনিংয়ে আছেন ২ জন বর্তমানে শ্রেণিতে পাঠদান করাচ্ছেন ৪ জন শিক্ষক। এমন বহুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর স্কুলে শিক্ষক পাওয়ার যোগ্য থাকলেও ডেপুটিশন দিয়েছেন কে.এন. রোড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে অফিস সহকারীসহ অন্যান্য কর্মচারীরা শিক্ষকদের কাছ থেকে তাদের বিভিন্ন কাজের বিল ভাউচারসহ অন্যান্য কাজের বিপরীতে উৎকোচগ্রহণ করে থাকেন। পয়সা না দিলে কোন কাজ হয় না। পয়সা না দিলে ফাইল আটকা পরে কাগজ হারিয়ে যাওয়াসহ অন্যত্র বদলীর ধোয়া তুলেও টাকা আদায় করেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল জোব্বার বলেন, বদলীর ক্ষেত্রে কোন প্রকার অনিয়ম করা হয়নি এবং কোন প্রকার অর্থ আদায় করা হয়না। অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা।
এইচ ই





