খাগড়াছড়ির ৮১টি গুচ্ছগ্রামের অসহায় ও দরিদ্র ২৬ হাজার রেশনকার্ডধারীদের প্রায় ১৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা সরকারি দলের কতিপয় নেতারা আত্মসাৎ করার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ‘গুচ্ছগ্রাম সঞ্চয় সমিতির’ মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তারা এ টাকা জমায়।
গুচ্ছগ্রাম সঞ্চয় সমিতির অর্থ আত্মসাৎ ও প্রকল্প চেয়ারম্যান নিয়োগে দুনীর্তির প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে খাগড়াছড়ির কলাবাগানের আদর্শ যুব ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি, প্রাক্তন সংসদ সদস্য ও উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, গত ২০০৪ সালের ১২ এপ্রিল চার দলীয় সরকারের সময়ে এ জেলায় বসবাসরত ৮১টি গুচ্ছগ্রামের অসহায় ও দরিদ্র ২৬ হাজার রেশনকার্ডধারীদের জীবনমান পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রতিকার্ডধারীকে মাসিক ৫০ টাকা হারে ‘গুচ্ছগ্রাম সঞ্চয় সমিতির’ গঠন করা হয়।
তিনি বলেন, এভাবে দীর্ঘদিন পর বর্তমানে ১৮ কোটি ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৪৮ টাকা ‘গুচ্ছগ্রাম সঞ্চয় সমিতির’ নামে জমা হয়েছে। এ সরকারের নেতারা এ অর্থ আত্মসাৎ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। গুচ্ছগ্রামবাসীর কল্যাণে কাজ করার কথা বলে তাদের ধোঁকা দিচ্ছে কতিপয় দুর্নীতিবাজ নেতা। তারা এ অর্থ হরিলুট করতে প্রকল্প সভাপতি নির্বাচিত করার নাটক মঞ্চস্থ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াদুদ ভূইয়া আরও বলেন, সরকারি দলের নেতারা প্রকল্প চেয়ারম্যানের নিয়োগে প্রতিজন থেকে ২ লাখ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন। আর দলীয় লোকদের প্রকল্প চেয়ারম্যান নিয়োগ দিচ্ছে। আর দলীয় চেয়ারম্যানরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আঁতাত করে ছয় মাস পর্যন্ত এ অর্থ তাদের কাছে রেখে পরে জমা দিচ্ছেন। যা বেআইনি এবং এর মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গুচ্ছগ্রামবাসী।
জেআই





