আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে সুন্দরগঞ্জ পৌর সভার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীগণ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটাদের নিকট ভোট প্রার্থনা করছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মার্কা না পাওয়ায় ব্যক্তি পরিচয় নিজস্ব ইমেজ প্রভৃতি কাজে লাগিয়ে দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। দলীয় প্রার্থীরা তাদের স্ব-স্ব মার্কা ভোটারদের মাঝে উপস্থাপন করে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করছেন।
সুন্দরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ৮, সংরক্ষিত মহিলা আসন পদে ১৩ এবং কাউন্সিলর পদে ৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নে ৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। সুন্দরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে কে হবে পৌর পিতা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ভোট প্রার্থনা দিক দিয়ে কেউ পিছিয়ে থাকতে চাচ্ছেন না।
এদিকে আ’লীগের ৩ জন বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে থাকায় বেকায়দায় রয়েছেন আ’লীগ। গত শুক্রবার জেলা আ’লীগের সভাপতি সুন্দরগঞ্জে পৌর আ’লীগের বর্ধিত সভা করে সকল নেতা কর্মিকে নৌকা মার্কার ব্যানারে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
আ’লীগ প্রার্থী বর্তমান মেয়র আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, ২০ দলীয় জোটের বিএনপির প্রার্থী আজাদুল করিম নিপু, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ্ব মশিউর রহমান সরকার, জেপি (মঞ্জু) প্রার্থী আলহাজ্ব মশিউর রহমান নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়ে দিন-রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করে চলেছেন। নির্বাচিত হলে পৌর সভার বিভিন্ন উন্নয়ন করা হবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। দলীয় প্রার্থীগণ দলের অবস্থানসহ দলীয় প্রধানদের বিভিন্ন গুণ-কীর্তন এবং উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড ভোটারদের মাঝে তুলে ধরছেন। পাশাপাশি পৌর শহরের বিভিন্ন মহল্লার উন্নয়ন এবং ভোটারদের পৌর কর না নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন একের পর এক।
সরেজমিন পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কাকে ভোট দেবেন এখনও মনস্থির করতে পারেননি। তবে দলীয় সমর্থক ও কর্মিরা স্ব-স্ব দলের প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
জামায়াতের কোন প্রার্থী না থাকায় ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার চিতনা-ভাবনা করছেন তারা। ইতোমধ্যে মেয়র প্রার্থীগণ ভোট প্রার্থনার পাশাপাশি সভা সমাবেশও করছেন। অপর দিকে সংরক্ষিত আসনের ও কাউন্সিলর প্রার্থীগণ স্ব-স্ব ওয়ার্ডে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছে।
এমএম





