রাজধানীতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে পরিবহণ শ্রমিকরা। মিরপুর ও সাইনবোর্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয় বেশ কিছু শিক্ষার্থী।
মিরপুরঃ
শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মুখে জাবালে নুর পরিবহনের রোড পারমিট বাতিলের পর গণপরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ শুরু করে। এ সময় আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালায় তারা। তবে ঐ শিক্ষার্থীর পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
জানা যায়, বাসের চালক ও হেলপাররা এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে মারপিট করে। আন্দোলনে অংশ না নেয়ার কথা জানালেও শিক্ষার্থীকে বাস কর্মচারীরা পেটায় বলে ঐ শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন।
এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর চালায়। মিরপুর-১০ ও ২’র মাঝামাঝি সড়কে ৪০ টি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
সাইনবোর্ডঃ
এদিকে যানবাহন ভাঙচুরের প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে নারায়ণগঞ্জে পরিবহনশ্রমিকেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আশপাশের জেলা শহরগুলোয় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় পরিবহনশ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
অবরোধের পর তারা মিছিল বের করে। এক পর্যায়ে মিছিলটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি এসে পড়লে পরিবহণ শ্রমিকরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা শুরু করে। হতাহতদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায় নি।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় পরিবহনশ্রমিকেরা বিভিন্ন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান এবং তাঁদের মারধর করেন।
পরিবহনশ্রমিকদের দাবি, দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। এ কারণে তাঁদের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হচ্ছে। পরিবহনশ্রমিকদের মারধর করা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। পরিবহনশ্রমিকদের নিরাপত্তা দেওয়া না হলে কোনো গাড়ি চলবে না।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে বাস পরিবহনশ্রমিকেরা তাঁদের নিরাপত্তার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন। এ ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চয়তা চান। নিশ্চয়তা পেলে তবে গাড়ি চালাবেন। অবরোধ তুলে নেবেন। তাঁদের দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
জেড





