রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ১০ পুলিশ সদস্যকে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ডিআইজি পদক প্রদান করা হয়েছে।
পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি হুমায়ুন কবীর তার কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে এ পদক প্রদান করেন।
পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও বিক্রি প্রতিরোধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করার ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরো সক্রিয় হতে হবে। মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে চার্জশিট প্রদান করে অপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। সেই সঙ্গে মামলা দ্রুত নিস্পত্তি করার জন্য কোর্ট পুলিশ অফিসারদের আরো দায়িত্বশীল হতে আহ্বান জানান।
পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন, রংপুর কোতোয়ালি থানার এসআই হারেছ শিকদার। তাকে রংপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ৩ খুনসহ ২৫ মামলার আসামি পলাশকে গ্রেফতার, চোরাই ও ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে অবদান রাখার জন্য চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পদক দেয়া হয়।
এ নিয়ে ৪ বার ডিআইজি পদক পেলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এ ছাড়া পদকপ্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ, শ্রেষ্ঠ সার্কেল এএসপি ঠাকুরগাঁও জেলার মিজানুর রহমান, শ্রেষ্ঠ ইন্সপেক্টর ঠাকুরগাঁও সদর একেএম মেহেদী হাসান, শ্রেষ্ঠ উদ্ধারকারী গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার পরিদর্শক এবিএম জাহিদুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ কোর্ট অফিসার (সদর কোর্ট, গাইবান্ধা) খন্দকার আবু সাঈদ, শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার (লালমনিরহাট) সজল কুমার বকসী, শ্রেষ্ঠ ডিএসবি অফিসার (লালমনিরহাট) এএসআই আলতাফ হোসেন, চৌকস এএসআই (পঞ্চগড়) মোকসেদ হোসেন এবং শ্রেষ্ঠ কনেস্টবল (গাইবান্ধা) আব্দুল কাফি শেখ।
অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার পুলিশ সুপার, ডিআইজির স্টাফ অফিসার, সহকারী পুলিশ সুপার কামরুন্নেছাসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ





