ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি এলাকায় গণপিটুনিতে মোশারফ হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলছে, ডাকাত সন্দেহে স্থানীয় লোকজন মোশারফকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তবে মোশারফের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে মোশারফকে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে বালিয়াকান্দি এলাকায় নূরুল হক নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে কয়েকজন ঘরের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢোকেন।
তখন ভেতরে ঢোকা ব্যক্তিদের একজন নূরুলের ছেলে মো. নয়নকে (১৮) এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। তাকে ছাড়াতে গেলে বোন রোজিনা আক্তার (২৩) ও মা পারুল বেগমকে (৪৫) কুপিয়ে জখম করা হয়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ছুটে যায়। তখন ওই ব্যক্তিদের কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে লোকজন এক ব্যক্তিকে ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। এতে ওই ব্যক্তি মারা যান। প
রে নিহতের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়। নিহত মোশারফের গ্রামের বাড়ি উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে। পুরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মণ্ডল বলেন, নিহত মোশারফের বিরুদ্ধে তজুমদ্দিন ও বোরহানউদ্দিন থানায় ডাকাতি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ মামলা আছে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে, ওই বাড়িতে মোশারফসহ কয়েকজন ডাকাতি করতে ঢুকেছিলেন।
তবে নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিন বেগম প্রথম আলোর কাছে অভিযোগ করেন, নূরুলের ছেলে নয়নের সঙ্গে তাঁর স্বামী মোশারফের দ্বন্দ্ব ছিল। এর জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি মামলা করবেন।
এ ব্যাপারে ওসি বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযোগ দিলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
ওএফ





