বীর চট্টলা থেকে ঘোষিত হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষন নির্যাতন জুলুম নিপীড়ন থেকে মুক্তির জন্যে স্বাধীনতার ঘোষণা।আর সেই স্বাধীনতা যুদ্ধে জহুর আহমদ চৌধুরী ছিলেন একজন লড়াকু সৈনিক।
জহুর আহমদ চৌধুরী ১৯৪৮ সালে তমদ্দুন মজলিশের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ঘোষণা, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুর মুক্তির সংগ্রাম, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। আন্দোলন, সংগ্রামে তিনি কখনো হার মানেন নি।
এই চট্টল বীর সেনানীর মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান ভূলে যাইনি এদেশের মানুষ।তেমনি এই মুক্তিযোদ্ধা কে ও ভূলে যাইনি শৃংখলিত হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ স্কাউট।
আজ বুধবার সকালে সেই কৃতি সন্তান কে সিআরবি শিরিষতলায় স্বাধীনতা অর্জনে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় "মরনোত্তর" মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা পুরস্কার দিল বাংলাদেশ স্কাউট চট্টগ্রাম অঞ্চল।
জহুর আহমদ চৌধুরীর পক্ষে পুরস্কার টি গ্রহন করে তার কনিষ্ঠতম পুত্র বাংলাদেশ স্কাউট চট্টগ্রাম অঞ্চল এর উপ কমিশনার(বিধি ও আইন)জনাব সরফুদ্দীন আহমেদ চৌধুরী রাজু।
এর আগে বাংলাদেশের এই কৃতি সন্তান ২০০১সালে দেশের স্বাধীকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্যে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার”রে ভূষিত হন।
এমআর





