বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান বলেছেন, রক্ত পিপাসুদের তাণ্ডবে ক্যাম্পাসগুলো আজ রক্তাক্ত। অন্যদিকে মাদক আর অপসংস্কৃতির প্রসারে হাজারো স্বপ্ন অপমৃত্যুর পথে। এ অবস্থার উত্তরণে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার সাথে সাথে দাওয়াতী কার্যক্রম প্রসারেও সমানভাবে কাজ করে যেতে হবে।      

বৃহস্পতিবার বগুড়ার এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা অঞ্চলের কলেজ প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক রাশেদুল হাসান রানার পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় গবেষণা ও তথ্য সম্পাদক শরীফ রায়হান, বগুড়া শহর সভাপতি আলাউদ্দিন সোহেল প্রমুখ।    

শিবির সেক্রেটারি  বলেন, সরকারি মদদ ও প্রশাসনের নিরবতার কারণে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলীগ নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ অরাজকতা চালাচ্ছে। অন্যদিকে ইসলাম থেকে দূরে থাকার কারণে মাদক, ইভটিজিং, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ধর্ষণ, নোংড়া সংস্কৃতি ব্যপক ভাবে প্রসার ঘটেছে। শিক্ষার জন্য সন্তানদের ক্যাম্পাসে পাঠিয়ে প্রতিটি অভিভাবক আজ শঙ্কিত। ছাত্রলীগের অব্যাহত সন্ত্রাসে যেমন বহু মায়ের বুক খালি হচ্ছে তেমনি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের কারণে হাজারো সম্ভাবনা ধ্বংস হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী প্রজন্ম ধ্বংসের গহবরে হারিয়ে যাবে। কিন্তু জাতি বিনাশী এ অপতৎপরতা মেনে নেয়া যায়না।

তিনি কলেজ প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রসমাজকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই সফল হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়ে ময়দানে কাজ করছে ছাত্রশিবির । সুতরাং কোন দায়িত্বই এড়ানোর সুযোগ নেই। ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে ধৈর্য ও সাহসিকতার সাথে ক্যাম্পাসে অরাজকতাকারীদের শক্ত ভাবে প্রতিহত করতে হবে। একইভাবে ছাত্রসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি ছাত্রের কাছে ইসলামের সুমহান আদর্শ তুলে ধরতে হবে। কেননা একমাত্র ইসলামী অনুশাসনই ছাত্রসমাজকে অনৈতিকতার হাতছানি থেকে বাঁচাতে পারে। তবে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই অপশক্তির যে কোন ফাঁদ সম্পর্কেও সজাগ থাকতে হবে নেতাকর্মীদের।   

জেআই