সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. মোশাররফ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান মোশাররফ হোসেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি গণপরিষদেরও সাবেক সদস্য ছিলেন। তিনি তিন ছেলে ও চার মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্য অত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বুধবার সন্ধ্যায় তাকে দাফন করা হয়। খবর বাসস।
এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তার মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তযুদ্ধে তার অনন্য ভূমিকা জাতি চিরকাল স্মরণ করবে।’
পৃথক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর, নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিবিদ ও সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. মোশাররফ হোসেন আজীবন দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে জাতি এক সাহসী সন্তানকে হারাল।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও এর দোসরদের হাত থেকে মিরপুরকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে তার অবদান মিরপুরবাসী তথা জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।’
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানিয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মোশাররফ হোসেন বুধবার দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনরে দক্ষিণ প্লাজায় গার্ড অব অনার প্রদান শেষে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মোশাররফ হোসেন মুজিবনগর সরকারের স্বাস্থ্য পরিচালক ছিলেন। দেশের জন্য কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য মোশাররফ হোসেনকে ২০১৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়। মোশারফ হোসেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আশরাফুন্নেসা মোশাররফের স্বামী।
ঢাকা, ৩০ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





