মাস পেরোতে গেলেও নাজিমউদ্দিন হত্যার রহস্য বা খুনিদের শনাক্ত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের ২০ দিনের তদন্তে কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি না পেয়ে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডিকে)।

সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন কুমার সাহা’র সাথে কথা বলে জানা যায়, মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নাজিমুদ্দিন হত্যার ঘটনায় কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। খুনের ঘটনার পর থেকে আমরা সামগ্রিক বিষয় নিয়ে কাজ করছিলাম। এমনকি নাজিমুদ্দিনের গ্রামের বাড়ি সিলেটেও তদন্ত দল পাঠানো হয়েছিলো। কিন্তু তারপরও এ হত্যাকাণ্ডের কোন ক্লু পাওয়া সম্ভব হয়নি। শেষমেষ ২৭ এপ্রিল মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিআইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে আমরা প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করার পাশাপাশি এই মামলার পূর্বের তদন্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে সার্বিক তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।

নাজিমউদ্দিন (২৭) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। বুধবার (৬ এপ্রিল) রাত সোয়া ৮টার দিকে সূত্রাপুরের একরামপুরে তাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়। ৭ এপ্রিল পুলিশ বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আনসারুল্লাহ বাংলাটিম। ৮ এপ্রিল সাইট ইন্টিলিজেন্স নামের একটি ওয়েবসাইটে দায় স্বীকার করে এই বিবৃতি প্রদান করা হয়।

যদিও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজমের প্রধান মনিরুল ইসলাম এই দায়কে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সাইট ইন্টিলিজেন্সের এই দাবি ভার্চুয়াল। এর সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই।

এমআর