নারায়ণগঞ্জের লাঞ্ছিত স্কুলশিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্র আদায় করে পরিচালনা পর্ষদ তাতে সই নিয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি আদালতকে এই তথ্য জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা পড়া তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে ছাত্রের বক্তব্যের জের ধরে বন্দর উপজেলার পিয়ার লতিফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধন শিক্ষক শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেই শিক্ষার্থীও ‘একেক সময় একেক কথা বলেছে’।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে প্রক্রিয়ায় শ্যামল কান্তিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল তা বিধি বহির্ভূত ছিল। তাই ওই শিক্ষককে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
এআই





