রমজানে রাজধানীর বাজারে মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশী গরুর মাংস কেজি ২৮০ টাকা, বিদেশী গরুর মাংস ২৬০ টাকা, মহিষের মাংস ২৫০ টাকা, খাঁসির মাংস ৪৫০ টাকা, ছাগী ও ভেড়ার মাংস ৪০০ টাকা। তবে ১ রমজান থেকে ২৭ রমজান পর্যন্ত এ দাম কার্যকর থাকবে।
রোববার বিকালে ফুলবাড়িয়ায় নগর ভবনে ঢাকার ২ প্রশাসক এবং শীর্ষস্থানীয় কর্মকতাদের সঙ্গে মাংস ব্যবসায়িদের যৌথ সভায় মাংসের এ দাম নির্ধারণ হয়।
ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক ইব্রাহিম হোসেন খানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তরের প্রশাসক ফারুক জলিল, উত্তরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম এনামুল হক,দক্ষিণের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনছার আলী খান, উত্তরের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ আহমেদ, দক্ষিণের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মতুর্জা, মহা সচিব মো. রবিউল আলম এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম আ্হমেদ।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন টাইমনিউজবিডি'র সিনিয়র রিপোর্টার আবুল কাশেম,এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি সৈয়দ রিয়াজ, ইনকিলাবের সায়ীদ আবদুল মালিক ও দৈনিক মানব কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এম এ বাবর প্রমুখ।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে মাংস ব্যবসায়ীদের নিয়ে রমজান মাসের জন্য মাংসের দর নিধারণী সভায় প্রতি কেজি দেশী গরুর মাংস ২৮০ টাকা, বিদেশী গরুর মাংস ২৬০ টাকা, মহিষের মাংস ২৫০ টাকা, খাঁসির মাংস ৪৫০ টাকা, ছাগী ও ভেড়ার মাংস ৪০০ টাকা গত বছর ৩৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিএম এনামুল হক বলেন, রমজান মাসের আগেই মাংসের দোকানে দর লিখে টানিয়ে রাখবেন, ডিজিটাল পাল্লায় সঠিক ওজন দিবেন। মহিষ, বিদেশী গরু, দেশী গরু,খাঁসি,ছাগী ও ভেড়ার মাংস চিহ্নিত করে দর নির্ধারণ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খৃষ্টানদের বড় দিন এবং হিন্দু ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে কখনো জিনিস পত্রের দাম বাড়ে না। তা হলে কেন মুসলমানদের বেলায় রমজান মাসে জিনিসের দাম বাড়বে।
আনছার আলী খান বলেন, পশু হালাল হলেই মাংস হালাল হয় না। হালাল করতে হয় মানুষকে। আর এটা নিশ্চিত করতে হবে মাংস ব্যবসায়িদের। বাজারে মহিষের মাংস খুঁজে পাওয়া যায় না। সব বিদেশী গরু দেশী হয়ে যায়,সব ছাগী- ভেড়া খাঁসি হয়ে যায়। এমনটি আর দেখতে চাই না।
বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মতুর্জা বলেন, আমরা মুসলমান কথা দিচ্ছি খারাপ মাংস বিক্রি করব না। কিন্তু রমজানে অযথা মোবাইল কোর্ট দিয়ে হয়রানী করবেন না। জবাইখানা না থাকায় বাধ্য হয়ে যেখানে সেখানে গরু জবাই করতে হয়। এজন্য সিটি করপোরেশনের প্রশাসন দায়ি।
মহা সচিব মো. রবিউল আলম বলেন, নগরীতে প্রয়োজনীয় আধুনিক জবাইখানা তৈরি করলে সিটি করপোরেশন কমপক্ষে ৩ কোটি টাকার অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় বাড়বে। আমরা ১১ মাস ব্যবসা করি। কিন্তু রমজান মাসে শুধু ব্যবসা করব না পাশাপিশি সেবাও করব।
ঢাকা, একে, ২২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





