ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সুজন মৃধা হত্যায় জড়িত পুলিশের এসআই এনামুল ও কনস্টেবল মাসুদকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার সুজন হত্যার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় তারা এ দাবী করেন।

এসময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া সুজনকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে সুজনকে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় যা একটি ডাহা মিথ্যা কথা।
শিক্ষার্থীরা জানান, সুজনের দাদা মেম্বার নির্বাচনের প্রার্থী ছিল। ফল প্রকাশের সময় প্রথমে সুজনের দাদাকে ২২ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে। এর দুই মিনিট পর তার দাদাকে ১৭ ভোটে পরাজিত করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। তখন সুজন প্রতিবাদ করলে এস আই এনামুল কনেস্ট্যাবল মাসুদকে গুলি করতে বলে। এরপর মাসুদ পরপর তিনটি গুলি করলে একটি গুলি সুজনের গায়ে লাগলে সুজন মারা যায়।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, যদি সুজন ব্যালট চুরি করে পালানোর সময় গুলিতে নিহত হয়, তাহলে গুলি দেহের সামনে লাগলো কিভাবে।
তারা দাবি করেন, মিডিয়ায় প্রকৃত সংবাদ আসেনি। ঢাবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল মাদারীপুর গিয়ে সরেজমিনে এসব তথ্য জেনেছেন বলেও দাবি করেন ।

আন্দোলনকারীরা সুজন হত্যার বিচারের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন এবং দোষী পুলিশদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
এসময় তারা ‘পুলিশ ছাত্র ভাই ভাই-খুনিদের বিচার চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এ সময়ে তাদের হাতে সুজন মৃধার হত্যার বিচার চেয়ে লেখা নানা প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

এর আগে গতকাল শনিবার বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা সুজন হত্যার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যের বিচার দাবি করে শাহবাগ মোড়ে এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেছিল।

এসটি/ইআর