আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করেছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ক্ষুদ্র খামারিরা। পর পর তিন বছর লোকসান গুণে, এবার ভাল দাম পাওয়ার আশায় আদা-জল খেয়ে মাঠে নেমেছেন তারা। কোন রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকায়, এ বছর গরুতে ভাল লাভ হবে- এমনটিও আশা করছেন খামারিরা।
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের তালগাছি গ্রামের খামারি আব্দুল মতিন এ বছরে ৫টি দেশী ও নেপালী গরু পালন করছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই কোরবানি সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণের কাজ করছি। এটি আমার নেশাও।
কিন্তু বিগত দিনগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভারত থেকে চোরাই পথে আসা গরুর চাপে ব্যবসায় লাভ হয়নি। এবার সে অস্থিরতা না থাকায় লাভের আশা করছেন মতিন। তবে খৈল ভুষিসহ সব রকমের গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ ক’রে- এবারের লাভ নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেন, মতিন।
কায়েমপুর ইউনিয়নের ব্রজবালা কুটিরপাড়া গ্রামের দুলাল মেম্বর এ বছর ৭টি দেশী ও শংকর জাতের ষাঁড় মোটাকরণের প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। বাজার ভাল হলে, ১০ লাখ টাকায় কেনা এ গরু ৩০/৩৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা করছেন তিনি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল হাই জানান, শাহজাদপুর উপজেলায় ৩ হাজার ৬০৫টি ডেইরী ফার্ম রয়েছে। এছাড়া এ অঞ্চলে মৌসুমি খামারও রয়েছে। এসব খামারে গরু মোটাতাজা করা হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে এ বছর কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রায় ৩২ হাজার ষাঁড় গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে।
উপজেলার তালগাছি, গাড়াদহ, চরনবীপুর, টেপড়ি, কায়েমপুর, ব্রজবালা, পোতাজিয়া, রেশমবাড়ী, দাড়িয়াপুর, পোরজনা, কৈজুরি, জামিরতা ও বাঘাবাড়ী এলাকা ঘুরে বেশ কিছু ছোট ও মাঝারি খামার দেখা গেছে।
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





