বগুড়ায় প্রায় ২০০ ইটভাটার অধিকাংশই বন্ধ হবার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভরা মৌসুমেও আগুন দিতে না পারায় এ আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বগুড়া ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ আবুল কালাম আজাদ জানান, মৌসুম শুরু হয়েছে এক মাস আগে। কিন্তু কয়লা পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা উত্তোলন বন্ধ রয়েছে, অন্যদিকে ভারত কয়লা রফতানি বন্ধ রেখেছে। শিগগির কয়লা না পাওয়া গেলে ইটভাটা মালিকদের লোকসান গুনতে হবে।
ভাটার মালিক আইনুল হক সোহেল জানান, কয়লার অভাবে ভাটা বন্ধ হবার উপক্রম। আর যে কাঁচা ইট প্রস্তুত করা হয়েছে তা না পোড়াতে পারলে নষ্ট হয়ে যাবে।
জেলা ভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জানান, অক্টোবর থেকে মার্চ ইট উৎপাদনের মৌসুম। জেলার দুই শতাধিক ইটভাটায় প্রতি মৌসুমে প্রায় শত কোটি ইট উৎপাদন হয়। ভাটায় আগুন দেওয়া না গেলে ইটের অভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
শাজাহান উপজেলা ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ তোফাজ্জল হোসেন খান সাহান জানান, প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং দিনাজপুর বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা আসত। পরিবেশবাদীদের তোপের মুখে ভারতের রফতানিকারকরা বাংলাদেশে কয়লা রফতানি বন্ধ করে দেন। ৭ অক্টোবর কয়লা রফতানিতে বাধা নেই আদালতের এমন রায় থাকলেও রফতানিকারকরা রফতানি বন্ধ রেখেছেন। অপরদিকে দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে ৫ মাস ধরে উত্তোলন বন্ধ। এক সপ্তাহ আগে উত্তোলন শুরু হলেও বিক্রয় বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
বড় পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) আমিনুজ্জামান জানান, ভূগর্ভে পানিপ্রবাহের কারণে কয়লা উত্তোলন বন্ধ ছিল। এখন সামান্য কিছু কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল রাখার জন্য।
জেএ





