সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব লুৎফুন নাহার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।
একইসঙ্গে উপজেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের জন্য উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।
গত ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের হরতাল ও অবরোধ চলাকালে সাভারে যানবাহন ভাংচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।
তবে, মামলার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন।
তার অনুপস্থিতে সাভার উপজেলা পরিষদের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে। বিষয়টিকে আমলে নিয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে দুই ভাইস চেয়ারম্যানসহ উপজেলা চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনকে কেন বরখাস্ত করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
পরে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয় আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ দেওয়ানকে।
ওই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত কফিল উদ্দিনকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
কেএইচ





