নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলা শহরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুগ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ঘণ্টাব্যাপী দুদফা এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ উপজেলা ছাত্রলীগের চার কর্মীকে আটক করে।

আটককৃতরা হলো ফিরোজ রশিদ, আখতারুজ্জামান জীবন, হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম ও কবির হোসেন। আহতদের মধ্যে ছাত্রলীগের সোহেল রানা ও আব্দুল হালিমকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পতিরামকে সভাপতি ও গোলাম রব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এর প্রতিবাদে অপর সভাপতি প্রার্থী রশিদুল ইসলাম বাবুর সমর্থকরা শনিবার বিকেলে বিক্ষোভ করে। এর পর নবনির্বাচিত সভাপতি পতিরামের পক্ষের ছাত্রলীগের কিছু কর্মী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর চড়াও হলে দুগ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ সময় উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়। পরে পুলিশ এসে উভয়পক্ষের ছাত্রলীগের চার কর্মীকে আটক করে। এ নিয়ে উপজেলা শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কিশোরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান জানান, দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

এমকে