একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত জামায়াত ইসলামের সেক্রেটরি জেনারেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের দাফনের জন্য ফরিদপুর শহরের নিজ গ্রামের আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কবর প্রস্তুত করা হয়েছে।
সেখানে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য, আমর্ড পুলিশ ও র্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে মুজাহিদের বাড়ি ও আশেপাশের এলাকায়।
জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে রায় কার্যকর হওয়ার পরপরাই কবর খোড়ার কাজ শুরু করেন তার স্বজনরা। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই খবর খোড়ার কাজ শেষ হয়। এ কাজের তদারকি করেন জামায়াতের ফরিদপুর জেলা সভাপতি আবদুল তোয়াব ও সেক্রেটারি বদরুদ্দিন।
শনিবার দিবাগত রাত ১২.৫৫মিনিটে ফাঁসির রায় কার্যকর করার পর রাত ২.৫০মিনিটে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামায়াত নেতা মুজাহিদের লাশ তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে।
রোববার ভোর রাতেই ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে পারিবারিক জমিতে মুজাহিদকে দাফন করার কথা রয়েছে।
কারাগারের গেটে মুজাহিদের ভাগ্নে ফজলুল হাদি সাব্বির জানিয়েছেন, আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসা গেটের পাশেই পারিবারিক জমিতে তাকে দাফন করা হবে। তবে মুজাহিদের তিন ভাই আলী ইকবাল মোহম্মদ তৌফিক, আলী আজম মোহম্মদ রেজওয়ান, আলী আশরাফ মোহম্মদ শোয়ায়েব ও মা নুর জাহান খানমের কবর রয়েছে ফরিদপুর আলীপুর কবরস্থানে।
ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শহর জুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এমআর





