বগুড়ায় ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীকে সেফহোমে এবং তার মাকে ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার বিকালে জেলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইমদাদুল হক এ নির্দেশ দেন।

এর আগে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চায় পুলিশ। পরে শুনানী শেষে আদালত মেয়েকে রাজশাহী বিভাগীয় সরকারি সেফহোমে এবং তার মাকে ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সহকারি পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী।

এদিকে মা ও মেয়ে টানা ১০দিন হাসপাতালে থাকার পর চিকিৎসকরা তাদের ছাড়পত্র দেয়। আজ দুপুর ১টায় পুলিশের হেফাজতে তারা হাসপাতাল ছাড়ে।

এ বিষয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, ধর্ষক ও নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী এবং তার মা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য, ১৭ জুলাই বিকালে ভালো কলেজে ভর্তির কথা বলে সদ্য মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীকে বাসায় এনে ধর্ষণ করে বগুড়া শহর (সদ্য বহিষ্কৃত) শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক তুফান সরকার। এরপর শুক্রবার (২৮ জুলাই) বিকেলে তুফানের স্ত্রী আশা, তার বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি ও তার মা রুমি বেগমসহ তাদের সহযোগীরা কাউন্সিলরের চকসুত্রাপুর এলাকার বাসায় শালিসের নামে মা-মেয়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন করে।

তুফান বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে মা-মেয়ের মাথার চুল কেটে। এরপর নাপিত ডেকে দু’জনের মাথা ন্যাড়া করে বাড়ি পাঠানোর সময় বগুড়া ত্যাগ করতে হুমকি দেয়। এমনকি মালামাল পরিবহনের সুবিধার্থে বাড়িতে পিকআপ ভ্যানও পাঠায়।

মুস্তাঈন