নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ৫শ’ বছরের পুরনো মনসা মন্দিরের জায়গা দখলের পাঁয়তারা চলছে অভিযোগ উঠেছে। কালিয়া উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের মহিদুল শেখ মন্দিরের ৯৬ শতাংশ জায়গার মধ্যে ১০ শতাংশ দখলে জোর চেষ্টা করছেন বলে জানাযায়।

জায়গা দখলে নিতে ভূমি অফিস থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে সেখানে কলা গাছ রোপণ করেছেন। এ ব্যাপারে মন্দির কর্তৃপক্ষ কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দারস্থ হলে তিনি আগামী চৈত্র মাসে ওই জমির ডিসিআর বাতিল করার আশ্বাস দিয়েছেন। এনিয়ে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মনসা মন্দিরের সেবায়েত ও কালিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কৃষ্ণপদ আচার্য জানান, আনুমানিক ৫শ' বছর আগে তার পূর্বপুরুষেরা মনসা মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরটি ছোট কালিয়া মৌজার ২০০৮নং খতিয়ানের ২২৩ নং দাগে মোট ৯৬ শতাংশ দেবোত্তর সম্পত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ মন্দিরে সারা বছর এবং বিশেষ করে বৈশাখ মাসের ৩০দিনই পুজা অর্চনা হয়।

এ প্রসঙ্গে মহিদুল শেখ বলেন, তিনি মন্দিরের জায়গা দখল করেননি। বৈধভাবে সরকারি জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন। তবে সম্পুর্ণ বেআইনীভাবে মন্দির কর্তৃপক্ষ ওই জমি দখল নিতে বাধা প্রদান করছেন দাবি করেন তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, এটা যেহেতু ভিপি সম্পত্তি। সরকারি রাজস্ব আয়ের স্বার্থে যে কেউ বন্দোবস্ত নিতে পারে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষ বন্দোবস্তের আবেদন করলে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেয়া যেতে পারে জানান তিনি।

হুমায়ন/উজ্জল/ নাজিব