ঝিনাইদহে মহামারী করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের সিন্ধান্ত নিয়েছে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি। বেলা ২ টার মধ্যে ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ, মাস্ক পড়া বাধ্যতামুলকসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে করোনা নিয়ন্ত্রন বিষয়ক এক জরুরী সভায় এ সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আলোচনা শেষে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, সকল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, চায়ের দোকান দুপুর ২ টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। ঔষধ ফার্মেসী ছাড়া কোন দোকান খোলা রাখা যাবে না। ইজিবাইকে ২ জনের বেশি যাত্রী উঠানো যাবে না। মাস্ক পড়া বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। মাস্ক না পড়ে বাইরে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাধ্যমে জেলা বা জরিমানা করা হবে। এছাড়াও গ্রামাঞ্চলের দোকান বা চায়ের দোকান ২ টার পর খোলা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতে পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী কাজ করবে। তাছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাইকিং এর মাধ্যমে জনসচেতনা বৃদ্ধি করতে হবে। জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই, সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল, পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ৮৮ পদাতিক ব্রিগেডের ২ ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক লে. ক. নাসির উদ্দিন আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, জেলা পরিষদের সচিব রেজাই রাফিন সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, সিভিল সার্জন ডা: সেলিনা বেগম, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম রায়হানসহ অন্যান্যরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এ সিন্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

এদিকে ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৬৯ জন। সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহে মোট ৪২ টি রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে থেকে ৫ টি পজেটিভ এসেছে। করোনায় বাংলাদেশ পরিস্থিতি

আক্রান্ত ব্যাক্তিদের বাড়ী কালীগঞ্জ উপজেলায় ১ জন, কোটচাদপুর উপজেলায় ১ জন, শৈলকুপা উপজেলায় ১ এবং হরিনাকুন্ডু উপজেলায় ২ জন। আক্রান্ত ৬৯ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪১ জন। ২৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে তাদের সবার শারীরিক অবস্থা ভাল।

 

তারিখ/এএস