পদ্মায় লঞ্চডুবির ঘটনায় মোট ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ বুধবার নয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী নিখোঁজ রয়েছেন ১৩২ জন।

সোমবার কাওড়াকান্দি থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়াঘাটে আসার সময় সকাল ১১টার দিকে প্রায় আড়াইশ যাত্রী নিয়ে পিনাক-৬ নামে একটি লঞ্চ ডুবে যায়।

এর মধ্যে সোমবার মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদী থেকে দুই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর পর মঙ্গলবার কোনো লাশ উদ্ধার হয়নি।

বুধবার সকাল থেকে ভোলা, চাঁদপুর ও শরীয়তপুরে নয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব লাশ লঞ্চ পিনাক-৬-এর যাত্রী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার সকালে ভোলা সদর থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একজনের নাম ফাহদ বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি (৪০) ও কিশোরীর (১৪) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপরদিকে, শরীয়তপুর সদর ও সুরেশ্বর থেকে মোট চারজনের উদ্ধার করা হয়েছে। এর একজন নারী রয়েছেন।
চাঁদপুরের হাইমচর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লঞ্চটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি।

সোমবার সকালে ঈদের ছুটি শেষে কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া আসার সময় মাওয়াঘাটের কাছে লৌহজং চ্যানেলে আড়াইশ যাত্রী নিয়ে পিনাক-৬ লঞ্চ ডুবে যায়।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসনের তৈরি তালিকায় বুধবার সকাল পর্যন্ত ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ এর ১৩২ যাত্রী বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন।

ঢাকা, ৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ