৭ মে অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর ৭ ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের ৮ জন বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। দলীয় প্রার্থী থাকা সত্বেও এসব বিদ্রোহী প্রার্থীরা নিজেদের ইমেজে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সোমবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর কেউ তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি।

তবে উপজেলার ১১ ইউনিয়নে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও ওয়ার্কাস পার্টির একক প্রার্থী রয়েছে।

এরমধ্যে ১নং রসুলপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মো. আবদুল গফুর মিয়া। তার বিপরীতে এ ইউনিয়নে আ’লীগের দু’জন বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়ব আলী সৈয়ব ও আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল করিম দুলা।

৩নং দামোদরপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে যুবলীগের সহ-সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মনোয়ারুল হাসান জীম মন্ডল।

৫নং ফরিদপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুর আজম মন্ডল নীরব। বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কাহার আহম্মেদ শাহিন মিয়া।

৬নং ধাপেরহাট ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল কবির মিন্টু। বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (নওশা)।

৭নং ইদিলপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আবদুর রহমান। বিদ্রোহী প্রার্থী কৃষকলীগ নেতা মো. জহুরুল ইসলাম মন্ডল।

১০নং কামারপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল গণি সরকার তারা। বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা সামছুল আলম।

১১নং খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হয়েছেন মোছা. রেহেনা আক্তার। বিদ্রোহীপ্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজল হোসেন।

সাদুল্যাপুর উপজেলার ১১ ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ১৯ হাজার ১৪৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৭ হাজার ২১২ ও নারী ভোটার ১ লক্ষ ১১ হাজার ৯৩৪ জন।

 

এমআইএস।