দিনাজপুরে এক পাষাণ্ড স্বামী স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছে। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে,দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৯ নং হামিদপুর ইউপির খলিলপুর মোল্লাপাড়া গ্রামে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে,গ্রামের গার্মেন্স শ্রমিক মজিবর রহমার (৫৫) তার ছোট স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৪৫)কে নিয়ে থাকতো ওই গ্রামে। বাড়িতে খড়ের চালার ৩টি রুম রয়েছে। ৫ ছেলে ও তাদের বউ থাকে ওই বাড়িতে। কোনায় একটি দরজা বিহীন ঘরে থাকতো স্বামী-স্ত্রী। ঘটনা ঘটিয়ে ঘাতক মজিবর রহমান কখন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে তা বলতে পারছেনা কেউ ।

আজ রোববার সকালে ছেলের এক বউ শ্বাশুরীকে ডাকতে গেলে শাড়িতে মাথা মোড়ানো অবস্থায় দেখতে পায়। বেশ কয়েকবার ডাক দেয়ার পরও শ্বাশুরী না উঠায় ছেলে বউ হাত দিয়ে মাথায় ঝাকা দিলে হাতে রক্ত লেগে যায়। মাথার শাড়ি সরিয়ে ফেললে দেখে শ্বাশুরী গলা কাটা লাশ।

পার্বতীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনার পর ঘাতক স্বামী মজিবর রহমান পলাতক রয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে স্বামী মজিবর।

অস্ত্রটি বেশী ধারালো হওয়ায় ঘটনার সময় কোন শব্দও করতে পারেনি কোহিনুর। তার ৪টি স্ত্রী বলে জানা গেছে। প্রথমে চিরিরবন্দরে,দ্বিতীয় ভারতে,৩য় ফুলবাড়ী উপজেলার আমবাড়ির দৌলতপুরে এবং ৪র্থ বিয়ে করে পাবর্তীপুরে।

পাষণ্ড স্বামীর ঘটনার শিকার কোহিনুর সবচেয়ে ছোট স্ত্রী। তারা স্বামী-স্ত্রী ১০ থেকে ১২ বছর ঢাকায় গার্মেন্সে চাকুরী করতেন। দেড় বছর আগে তারা চাকুরী ছেড়ে দিনাজপুরে ফিরে এসে পার্বতীপুরের খলিলপুর মোল্লাপাড়া গ্রামে বসবাস শুরু করে। মজিবরের আগের গ্রামের বাড়ি চিরিরবন্দরের মথুরাপুর। নিহতের লাশের সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এএইচ