আগে প্রতি দশ বছর পর পরীক্ষা দিয়ে শিশুরা একটি মাত্র সার্টিফিকেট অর্জন করত, তাদের মাঝে পরীক্ষাভীতি থেকে যেত। এখন পিইসি ও জেএসসি দুই পরীক্ষার মাধ্যমে তারা অধিক সার্টিফিকেট পাচ্ছে এবং তাদের মাঝে পরীক্ষাভীতি দূর হচ্ছে।
শনিবার সকালে প্রাথমিক ও এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর গণভবনে তিনি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন প্রাথমিকে পাসের হার তো ভালো, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা তো মেধাবী। তারা পড়ালেখা করবে, পাশ করবে; ফেলের কোনো প্রশ্নই আসে না।
এর আগে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো কাছে হাত পেতে নয়, নিজের উদ্যোগে শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে সরকার। অধিক পরীক্ষার কারণে শিশুদের পরীক্ষাভীতি দূর হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমাদের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী দরকার। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ছাড়া কোনো দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারবে না।
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব খুব কাছের হয়ে গেছে। মানুষও বেশ তাড়াতাড়ি তা গ্রহণ করতে পারছে এবং শিখতে পারছে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের ফলাফল ভালো হয়েছে, তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং যাদের ফল ভালো হয়নি তাদের পরবর্তীতে আরও ভালো করার জন্য পরামর্শ দেন। এবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর এবতেদায়ীতে পাস করেছে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী।
জেড





