রাজধানীর বনশ্রীতে এনজিওকর্মী রুহুল আমিন খান (৪০) হত্যায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খিলগাঁও পশ্চিম নন্দিপাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে ফেলে রেখে যায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শুক্রবার ভোর ৪টায় তিনি মারা যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রুহুল আমিনের স্ত্রীর বড় ভাই কামাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খিলগাঁওয়ের নন্দিপাড়া এলাকার ‘দক্ষিণবাংলা একতা সংঘ’র কার্যালয়ে বসেছিলেন রুহুল আমীন। এ সময় আলাউদ্দিন, তৌহিদ ও সালাউদ্দিনসহ ১০-১২ জন তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।
স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোর ৪টায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে হত্যাকারীরা রুহুল আমীনের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, রুহুল আমীন বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেন খানের ছেলে। তিনি খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লকের ৮২ নম্বর বাসায় থাকতেন। তবে তিনি কোন এনজিওতে কাজ করতেন তা বলতে পারেননি কামাল হোসেন।
[b]ঢাকা, ২৫ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এনএস[/b]