বাংলার বাঘ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের জন্মবার্ষিকী আজ। ১৮৭৩ সালের এই দিনে ঝালকাঠির সাতুরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
এখন অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে অবিভক্ত বাংলার অবিসংবাদিত এই নেতার বাড়িটি।
২০১০ সালে প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে বাড়িটি সংরক্ষণের ঘোষণা দেয়া হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ৭ বছরেও।
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের জন্ম ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়ায় তাঁর নানাবাড়িতে। যেটি পরিচিত মিয়াবাড়ি নামে। শৈশব ও কৈশোরের অনেকটা সময় ওই গ্রামে কাটিয়েছেন তিনি। বাংলার বাঘ এবং হক সাহেব নামে সুপরিচিত এই রাজনীতিকের লেখাপড়ার শুরুও হয়েছিল এখানেই।
জীবদ্দশায় সাতুরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিলো অভিভক্ত বাংলার অন্যতম প্রধান এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের। স্থানীয়দের কাছে আজও অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন তিনি। কিন্তু তার স্মৃতি সংরক্ষণের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই প্রশাসনের।
দীর্ঘদিনের অযত্ন, অবহেলায় নষ্ট হতে বসেছে সাতুরিয়ায় শেরে বাংলার ব্যবহৃত বাড়িটি। ২০১০ সালে বাড়িটি সংস্কারের দায়িত্ব পড়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাঁধে। ৭ বছরে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ করে শুধু ছাদ সংস্কার করতে পেরেছেন তারা।
১৯৪১ সালে শেরে বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন সাতুরিয়া এমএম হাই স্কুল। কালের বিবর্তনে সেটিও আজ জীর্ণ। ঝুঁকি নিয়ে চলে পাঠদান।
দ্রুতই শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের স্মৃতি বিজরিত বাড়ি ও বিদ্যালয় সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
ফজলুল হকের জন্মস্থানটি সংরক্ষণ করে তার স্মরণে সাতুরিয়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়, ডাকবাংলো ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠার দাবি এলাকাবাসীর।





