সিএনজির দাম বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়ে সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন পরিবহন মালিকেরা। গতকাল রোববার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির পক্ষ থেকে বাসভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়। সড়ক বিভাগের সচিব চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
সড়ক পরিবহন বিভাগ সূত্র জানায়, মালিক সমিতি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে চলাচলরত সিএনজিচালিত বাস-মিনিবাসের পাশাপাশি ডিজেলচালিত বাস-মিনিবাসের ভাড়ার পুনর্নির্ধারণ চায়। অথচ ডিজেলের দাম বাড়েনি।
গত বৃহস্পতিবার প্রতি ঘনফুট সিএনজির দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাল মঙ্গলবার থেকে তা কার্যকর হবে।
সিএনজির মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবি এলেও সারা দেশে গ্যাসচালিত যানবাহনের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) জানা নেই। ফলে সিএনজি কিংবা ডিজেলের দাম বাড়লে ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ গ্যাস ও ডিজেলচালিত যানের মালিকেরা নিয়ে থাকেন।
এদিকে ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে সরকারি ঘোষণার আগে পরিবহন মালিকদের নিজ উদ্যোগে ভাড়া বৃদ্ধি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সড়ক পরিবহন বিভাগ সূত্র জানায়, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সিএনজিচালিত বাসের ভাড়া সমন্বয়ের সময় এর মধ্যে ডিজেলচালিত বাস-মিনিবাসও অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে মালিক সমিতিগুলো। মালিকদের দাবি, ২০১২ ও ২০১৩ সালে দুই দফা ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পর দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়ানো হয়। কিন্তু ঢাকা ও চট্টগ্রামে চলাচলরত ডিজেলচালিত বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়নি।
সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব এম এ এন সিদ্দিক গতকাল রাতে এ বিষয়ে বলেন, মালিকেরা ভাড়া সমন্বয়ের আবেদন করেছেন। এটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরও বলেন, আগের সরকারি সিদ্ধান্ত এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই কমিটি ভাড়া প্রস্তাব করবে।
এএইচ





