প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র খুনের ঘটনার ‘দায়িত্ব নিয়ে’উদ্ভূত পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে চট্টগ্রামে দলের শীর্ষ দুই নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও আ জ ম নাছিরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বেসরকারি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদায় অনুষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দল ছাত্রের সংঘাতে ছাত্রলীগের এক নেতা নিহত হওয়ার পরদিন বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও সাধারণ সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আহ্বান জানান।
ছাত্রদের ওই সংঘাতের নেপথ্যে ক্ষমতাসীন দলের নগর কমিটির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র নাছিরের দ্বন্দ্ব কাজ করেছে বলে শিক্ষার্থীদের দাবি।
ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সময় মঞ্চে নাছির থাকলেও মহিউদ্দিন ছিলেন না। মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে এসে বক্তৃতাও দেন, তবে নাছির অনুষ্ঠানস্থলে আসার কিছুক্ষণ আগেই তিনি চলে যান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, একজন এ বি এম এবং অন্যজন এ জি এম (আ জ ম)। দুজন পাশাপাশি থাকলে ভালো লাগত। দুজনকে এরকম একসঙ্গে এখন কমই দেখা যায়।
পাশাপাশি থাকলে তাদের বলতাম, যত ভালো কাজই করুন, ছোট-ছোট অনেক ঘটনা বড় অর্জনকে ম্লান করে দেয়। মঙ্গলবারের ঘটনা হয়েছে ছাত্র রাজনীতির নামে। একটি প্রাণ ঝরে গেল। এ জন্য দুজনকেই বলতাম, এই দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে। না হলে, সব অর্জন ম্লান হয়ে যাবে। এ দায়িত্ব আপনারা অস্বীকার করতে পারেন না।
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাদের বলেন, মঙ্গলবারের ঘটনা যারাই করুক, ছাত্রলীগের নামে হয়েছে। আমি কষ্ট ও লজ্জা পেয়েছি, যেহেতু ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। ছাত্র রাজনীতির নামে একটা প্রাণ ঝরে গেলে কেউ কেন রাজনীতিতে আসবে? নিজেরা নিজেদের শত্রু হলে রাজনীতির প্রতি আকর্ষণ থাকবে না।
সিইউজের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সিইউজের সভাপতি এজাজ ইউসুফী। বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সারওয়ার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ প্রমুখ।
ওএফ





