নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নে ডাকাতের গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ১০ মাসের একটি শিশু ও তিন নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার দিনগত গভীর রাতে ওই গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে আমির হোসেন (২০), ফারুক হোসেন (৫০), জেসমিন আক্তার (১৭), ফাতেমা আক্তার (২৫) ও ইয়াছমিন আক্তারকে (১০ মাস) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এছাড়াও আহত সাইফুল ইসলাম (৬০), শাকিল আহমেদ (০৭), মনিরুল ইসলাম (২২), বিবি কুলসুমসহ (৫০) অপর পাঁচজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ ও আহতরা জানান, সোমবার দিনগত মধ্যরাতে আন্ডারচর গ্রামের সাইফুল ইসলামের বসতঘরের দরজা ভেঙে ১৫-২০ জনের অস্ত্রধারী একদল ডাকাত ভেতরে ঢোকে। ডাকাতরা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পরিবারের সদস্যদের আহত করে ঘরের মালামাল লুট করে।
পরে আহতদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করলে ডাকাতরা এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে চালাতে পালিয়ে যায়। এসময় ছয়জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আহতদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। এর মধ্যে আমির হোসেন ও ফারুক হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এমবি





