রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ করেই ভূমিকম্পে হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১টা ৯মিনিটে এ কম্পন অনূভূত হয়ে প্রায় দুই থেকে তিন মিনিট স্থায়ী হয়। মাত্রা ছিল ৭.২।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ থেকে ৬১১ কিলোমিটার দূরে চীন-নেপাল সীমান্তের ঝাম এলাকায়। পরে অবশ্য জানানো হয় উৎপত্তিস্থল নেপালের কোদারি এলাকায়।
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে নেপাল ও ভারতের উত্তরাঞ্চলও। তবে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নেপালে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.২। এছাড়া ভারতের নয়াদিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও এর আশপাশে ভূমিকম্পের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতে ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.৯।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বেলা ১টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে প্রথমে ৭ দশমিক ৪ দেখানো হলেও পরে তা ৭ দশমিক ৩ বলা হয়েছে। আর ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার।
ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পরপরই রাজধানীর অফিসগুলো থেকে লোকজন নেমে যায়। এ সময় সবার মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।
ভারতের উত্তরাঞ্চলেও ভূমিকম্প হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেখানে এক মিনিটের বেশি সময় ধরে কম্পন অনুভূত হয়।
নাটোরের গুরুদাসপুর থেকে একজন পাঠক অফিসে ফোন করে জানান, এবারে বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়েছে। আশেপাশের ঘরবাড়িগুলো যেন দুলছিল। মনে হচ্ছিল এখনি ভেঙে পড়বে।
এদিকে লালমনিরগহাট থেকে আরেক পাঠক জানান, সেখানেও বড় ধরনের ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
চট্টগ্রাম থেকে অন্য আরেকজন পাঠক ফোন করে জানান, এবারের ভূমিকম্পে চট্টগ্রামের সব বিল্ডিং কেঁপে ওঠে।
অন্যদিকে আবহাওয়া অফিস ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, এবারে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। উৎপত্তিস্থল নেপালের কাঠমান্ডু থেকে ৮৩ কিলোমিটার পূর্বে চীন সীমান্তের কাছাকাছি। পাশাপাশি নয়াদিল্লিসহ ভারতের অনেক রাজ্যে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ইআর/এসএইচ





